কম‌েছে প‌েঁয়াজ‌ের, বেড়‌েছে সবজ‌ির দাম

এবং প্রত‌িবেদক :  সপ্তাহের ব্যবধানে নতুন দেশি ও  ভারত‌ের পেঁয়াজের দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমেছে। বেড়েছে রসুনসহ চায়না আদার দাম, অন্যদিকে গত সপ্তাহের বেড়ে যাওয়া সবজির দাম এখনো রয়েছে অপরিবর্তিত। আবার আলুতে গত দু’দিনের ব্যাবধানে বেড়েছে ৩ থেকে ৪টাকা।

আজ শুক্রবার রাজধানীর জুরাইন, যাত্রাবাড়ী ও আশপাশের বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

ব্যবসায়ীদের মতে, শেষ পর্যায়ে আসায় ক্ষেতের শীতের সবজিও শেষের দিকে, তাই সবজির দাম কিছুটা বাড়তিরর দিকে, এছাড়া আলু পাইকার দোকান থেকে দুই টাকা কেজিতে বেড়েছে। অপরদিকে কিছু সবজি জমিতে নষ্ট হয়ে গেছে। যে কারণে সবজির দাম হঠাৎ বেড়েছে।

এদিকে দাম বাড়লেও বাজারে শীতের সবজির কোনো কমতি নেই। টমেটো, শিম, লাউ, কাঁচা-পাকা, মিষ্টি কুমড়া, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ওলকপি (শালগম), পেঁয়াজের কলি, বেগুন, মুলা, লাল শাক, পালন শাক ও লাউ শাক সবকিছুই বাজারে ভরপুর।

তবে শীতের সবজির ভরা মৌসুমে হঠাৎ দাম বাড়ায় বিরক্ত ক্রেতারা। জুরাইন কাঁচাবাজারে সবজি কিনতে আসা মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, দুই সপ্তাহ ধরেই সবজির দাম চড়া। গত বছরের চেয়ে এ বছর সবজির দাম বেশি, গত বছর শিমের কেজি ছিল ২০ থেকে ২৫ টাকা, অথচ এবার ৬০ টাকা দরে শিম কিনলাম, কিন্তু শীতের সবজির এমন ভরা মৌসুমে দাম বাড়াটা কিছুটা অস্বস্তিকর। এটা কিছুতেই মানা যায় না।

সবজির দাম বাড়লেও কিছুটা কমেছে পেঁয়াজের দাম। নতুন দেশি পেঁয়াজ বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি দরে। আগের সপ্তাহে যা ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি। আমদানি করা পেঁয়াজ আগের সপ্তাহের মতোই ৫৫-৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে দাম বাড়ার তালিকায় সবার শীর্ষে রয়েছে রসুনের দাম, গত সপ্তাহের ৮০টাকা দরের রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা দরে, আবার পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দেশি আদার দাম।

এদিকে সবজি বাজারে প্রতিপিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৩৫ টাকা, বাঁধাকপি আগের সপ্তাহের মতোই ৩০-৩৫ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে।

শিমের দামও স্থিতিশীল রয়েছে। গত সপ্তাহে হঠাৎ করেই ৬০ টাকা হয়ে যাওয়া শিম এখনো ওই দামেই বিক্রি হচ্ছে। শালগম ২০ থেকে ২৫ টাকা, বেগুন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, মুলা ২০ থেকে ২৫ টাকা, গাজর ২৫থেকে ৩০টাকা, মোটরশুটি ৫০টাকা, লাল আলু ৩০ টাকা, কাঁচামরিচ ৬০টাকা, ধনেপাতা ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

টমেটো গত সপ্তাহের চেয়ে কিছুটা কমে বিক্রি হচ্ছে, প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা (মানভেদে)। এছাড়া প্রতি পিস লাউ (বড়) বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা দরে।

নতুন করে দাম বাড়ার তালিকায় রয়েছে লাল শাক ও পালন শাক। গত সপ্তাহে ৫ টাকা আঁটি বিক্রি হওয়া লাল ও পালন শাকের দাম বেড়ে হয়েছে ১০ টাকা। এছাড়া লাউশাক প্রতি আঁটি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা, লাল শাক ১০ টাকা, পালং শাক ১৯টাকা, সরিষা শাক ১০, ডাটা শাক ২০টাকা ও পুঁই শাক ২০ টাকা আঁটি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দাম বাড়ার প্রসঙ্গে জুরাইন কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা মাসুম নতুনসময়কে বলেন, দুই একটি সবজি ছাড়া বাজারে সব সবজির দাম বাড়তি, আমাদের পাইকারি কেনা বেশি তাই বেশি দরে বিক্রি করি, কি আর করা, তবে শীতের সবজির দাম এ বছর বিভিন্ন কারণে বাড়তি গেছে।

আরো দেখুন

এই সম্মন্ধীয় সংবাদ

Back to top button
Close

অ্যাডব্লক সনাক্ত

আপনার বিজ্ঞাপন ব্লকার নিষ্ক্রিয় করে আমাদের সমর্থন বিবেচনা করুন