মুক্তাগাছার ইউএনও জুলকার নায়নকে সাংবাদিক ফোরামের বিদায়ী সংবর্ধনা

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জুলকার নায়ন এর বিদায় উপলক্ষে মুক্তাগাছা সাংবাদিক ফোরাম বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করে। বুধবার রাতে ফোরামের কার্যালয়ে সংগঠনের আহবায়ক মোঃ ফেরদৌস আলমের সভাপতিত্বে বিদায় ইউএনও কে ক্রেস্ট ও ফুলের তোড়া দিয়ে সংবর্ধিত করা হয়। এসময় আবেগে আপ্লুত হয়ে বক্তব্য রাখেন বিদায়ী ইউএনও জুলকার নায়ন, সাংবাদিক ফোরামের সদস্য মুক্তিযোদ্ধা আতা ইলাহী, সাংবাদিক নেতা মনোনেশ দাস, মোশাররফ হোসেন সরকার, সাইফুজ্জামান দুদু, আসাদুজ্জামান তালুকদার, তাজুল ইসলাম, মিহির হারুন, আব্দুর রহিম, জাহিদুল আলম জুয়েল, মিজানুর রহমান, কামরুল হাসান, খায়রুল ইসলাম প্রমূখ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সাংবাদিক ফেরদৌস তাজ।ইউএনও জুলকার নায়নকে সাংবাদিক ফোরামের বিদায়ী সংবর্ধনা.......

সভায় ফোরামের আহবায়ক ফেরদৌস আলম বিদায়ী অথিতির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জুলকার নায়নের সম্পর্কে একশত গুণবাচক উপমা জানালেও অতুক্তি হবে না। মুক্তাগাছায় তাঁর কর্মজীবন এক বছরের একটু বেশি। এরই মাঝে তিনি দলমতের উর্ধ্বে উঠে সকল পেশাজীবী মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। এঅল্প সময়ের মাঝে তিনি মুক্তাগাছা উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা ভূমি অফিসকে একটি ঝকঝকে তক্তকে পরিবেশ সৃষ্টি করেছেন। একজন প্রশাসনিক নির্বাহী প্রধান হিসাবে আদর্শ মানুষের যা করা দরকার আমি মনে করি তার শতভাগ পালনে তিনি সচেষ্ট ছিলেন। প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বের বাইরে এসেও সাধারণ মানুষের কল্যাণে দায়িত্ব পালনে একজন নিরলস কর্মী হিসাবে প্রতিদিন ছিল কর্মমূখর। নিজ দায়িত্বের প্রতি ছিলেন কর্তব্যনিষ্ঠ কখনও তাঁর শরীরে ক্লান্তি দেখিনি। আমার উপলব্ধি ও দেখাতে তিনি ধর্মীয় আনুগত্যেও ছিলেন অবিচল।

তিনি আরো বলেন, গতানুগতিক চাকুরিজীবীদের রুটিন মাফিক কাজের বাইরে এসে তিনি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে মুক্তাগাছা উপজেলায় বাল্যবিবাহ মুক্ত, মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা ও যথাযথ সুশাসন কায়েমে আদর্শিক লড়াইয়ে তিনি ছিলেন অগ্র সৈনিক। উপজেলার শিশুদের আনন্দ-বিনোদনের কথা চিন্তা করে পরিষদের অভ্যন্তরে স্থাপন করেন শিশুপার্ক ‘শিশুস্বর্গ’, বয়স্ক পেনশনারদের জন্য বসারস্থান ‘শ্যামল ছায়া’ পরিষদের পরিত্যক্ত জায়গায় সৌন্দর্যবর্ধনে ভেষজ ও ফুলের বাগান, জনকল্যাণে হেল্প ডেস্ক, উপজেলা ভূমি অফিসে আগতদের বসারস্থান ‘ছায়া নীড়’, উপজেলা পরিষদ ও ভূমি অফিসে নিশ্চিত নিরাপত্তা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গোটা এলাকায় ক্লোজসার্কিট (সিসি) ক্যামেরা স্থাপন করেছেন। ভূমি অফিস ও উপজেলা পরিষদের দিকে তাকালেই বোঝা যাবে প্রকৃত অর্থেই তিনি ছিলেন একজন কর্ম পাগল ও সৃজনশীল মানুষ। আমি মনে করি তাঁর সততা, নিষ্ঠা ও প্রজ্ঞার কারণে একদিন সুনাম ছড়িয়ে পড়বে দেশের সর্বত্র।

আরো দেখুন

এই সম্মন্ধীয় সংবাদ

Back to top button
Close

অ্যাডব্লক সনাক্ত

আপনার বিজ্ঞাপন ব্লকার নিষ্ক্রিয় করে আমাদের সমর্থন বিবেচনা করুন