আত্মঅহঙ্কার মানুষকে ইম্যাচিউরড করে দেয়

ছোট ছোট বাচ্চারা এইখানে শিখে ফেলে আরেকজনের প্রশংসা কীভাবে করতে হয়, একজন মানুষ আরেকজন মানুষকে কীভাবে শুধুমাত্র একটি সুন্দর কথা বা একটি ভালো বাক্য দিয়ে খুশী করে দেয়। ছোটবেলা থেকেই চর্চা চলে, ঘর-পরিবার থেকে, স্কুল থেকে। যা অনেক সময় সারা দুনিয়ার দেশ-বিদেশ ঘুরেও অনেকে শিখে না বা জানে না। একটি আলাদা আত্ম-অহঙ্কারের মধ্যে বসবাস অনেকের, যা কিনা নিজের মন অথবা ব্রেইনকে বস করিয়ে রাখে এই ভাবিয়ে যে, প্রশংসা করলে হয়তো আমি নিজে ছোট হয়ে যাবো। অদ্ভুতভাবে নেতিবাচক নিয়ন্ত্রণ যাকে বলে।

গতকাল আমার বাচ্চাদের স্কুলে ”গ্লোবাল সিটিজেনশিপ ফ্ল্যাগ ডে” ছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে ছাত্রছাত্রীদের ইচ্ছেমত পোশাক পরার অনুমতি দেয়া হয়। আমার মেয়ে মৌনীরা, সে তার পছন্দ অনুযায়ী পোশাক পরে যায়। সারাদিন ধরে অপেক্ষা করতে থাকে আমি কখন বাসায় ফিরবো আর আমাকে বলবে কী কী হয়েছিলো স্কুলে। গতকাল সে মহাখুশি কারণ তাকে নাকি ক্লাসের অনেকেই বলেছে তার আউটফিটটি অনেক সুন্দর । অথচ, সে কিন্তু তেমন কিছুই পরে যায়নি, একটি খুব সাধারণ তিন ইউরো এর টি-শার্ট আর তিন ইউরো এর টাইটস ( তাও একদম নতুন নয়)।

প্রশংসা করা মানুষের একটি বড় গুণ !! আর আত্মঅহঙ্কার, তা মানুষদের মাঝে মাঝে ইম্যাচিউর বানিয়ে দেয় বটে!!

(লেখিকার ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

লেখক পরিচিতি: মাকসুদা আখতার প্রিয়তি, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিজ আর্থ ইন্টারন্যাশনাল

আরো দেখুন

এই সম্মন্ধীয় সংবাদ

Back to top button
Close

অ্যাডব্লক সনাক্ত

আপনার বিজ্ঞাপন ব্লকার নিষ্ক্রিয় করে আমাদের সমর্থন বিবেচনা করুন