কক্সবাজারের পর চট্টগ্রামে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’

কক্সবাজারের পর চট্টগ্রাম উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোরা’। সেখানে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১২৫ কি.মি.। সেই সঙ্গে রয়েছে বৃষ্টি।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, মোরা উত্তরদিকে অগ্রসর হয়ে মঙ্গলবার সকাল ৬টায় কুতুবদিয়ার নিকট দিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম করতে শুরু করে। ‘মোরা’ ঘণ্টায় ১৩৫ কিলোমিটার বেগে টেকনাফে ও ১১৪ কিলোমিটার বেগে সেন্টমার্টিনে আঘাত করে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানায়, বাংলাদেশ উপকূল অতিক্রম করতে অন্তত আরো ১ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কক্সবাজারে ঘণ্টায় বাতাসের গতি ছিল প্রায় ১০০ কি.মি.। সাগরের পানি বেড়েছে ৪-৫ ফুট। তলিয়ে গেছে উপকূলীয় কয়েকটি দ্বীপ।

এদিকে মোরার প্রভাবে কক্সবাজারের টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ ও সেন্টমার্টিনে গাছপালা ও বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবন ও চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের বেশির ভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

দুপুরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক সামসুদ্দিন আহমেদ সংবাদ সম্মেলনে সর্বশেষ পরিস্থিতি জানাবেন বলে জানা গেছে।

চট্টগ্রাম মহানগরী ও জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম মহানগরীসহ জেলার বাঁশখালী, আনোয়ারা, পটিয়া, চন্দনাইশ, দোহাজারী, সাতকানিয়া, হাটহাজারী, ফটিকছড়ি, রাউজান, রাঙ্গুনিয়াসহ প্রতিটি উপজেলায় তীব্র বেগে বাতাস বয়ে যাচ্ছে। বাতাসের সঙ্গে ভয়ানক শব্দে উপড়ে ফেলছে বড় বড় গাছপালা। বিভিন্ন এলাকায় গ্রামে কাঁচা বাড়িঘরের চাল উড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘূর্ণিঝড়ের ফলে তীব্র বাতাসের কারণে চট্টগ্রাম কক্সবাজার মহাসড়কসহ বিভিন্ন আন্তঃউপজেলা সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, ঝড় শুরুর আগেই এবার লক্ষাধিক মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে। তবে দুর্গত মানুষেরা আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিলেও আশ্রয় কেন্দ্রে পর্যাপ্ত খাবার এবং পানির কোনো ব্যবস্থা নেই বলে ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন।

আরো দেখুন

এই সম্মন্ধীয় সংবাদ

Back to top button
Close

অ্যাডব্লক সনাক্ত

আপনার বিজ্ঞাপন ব্লকার নিষ্ক্রিয় করে আমাদের সমর্থন বিবেচনা করুন