চিকনগুনিয়ার লক্ষণ
চিকনগুনিয়ার লক্ষণ

রাজধানীতে বেড়েছে জ্বরের প্রকোপ। এই জ্বর নিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন মেডিকেলে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগির সংখ্যা। চিকিৎসকরা জানান এটি এক ধরনের ভাইরাস জ্বর। যার নাম চিকোনগুনিয়া। ডেঙ্গুর মতোই এর লক্ষণ। মশার কামড় থেকেই এই জ্বরের শুরু। চিকোনগুনিয়ায় আক্রান্ত হলে হাড়ে ও গিটে গিটে প্রচণ্ড ব্যাথা থাকে। শরীর হয়ে পড়ে প্রচণ্ড দুর্বল।
এতে আক্রান্ত হলে মাথা ব্যাথা থাকবে। এক কথায় ডেঙ্গু এবং চিকোনগুনিয়ার লক্ষণ একই রকম। শুধু পার্থক্য হলো ডেঙ্গুতে রক্তের কার্যক্ষমতা কমে যায় এবং রোগীর ঝুঁকি অনেকটা বাড়ে। সেক্ষেত্রে চিকোনগুনিয়ার ঝুঁকি অনেকটাই কম। জ্বর তিন দিনে সেরে গেলেও, সাত থেকে ১০ দিন পর্যন্ত শরীর দুর্বল ও গিটে গিটে ব্যাথা থাকে।’
‘এই চিকোনগুনিয়া জ্বরের এখনো কোনো ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা শুরু হয়নি। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকরা ডেঙ্গুর পরীক্ষা দিয়ে থাকে। ডেঙ্গু জ্বর যদি ধরা না পড়ে তাহলে ধরে নেয়া যায় এটি ’চিকোনগুনিয়া’ জ্বর।
এ বিষয়ে ঢাকা মেডিকেলের আবাসিক চিকিৎসক ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মোহাম্মদ শাইখ আব্দুল্লাহ বলেন, ‘বর্তমানে অনেকেরই এই জ্বরটা হচ্ছে। ‘এই ধরনের রোগীদেরকে আমরা সাধারণত নাপা অথবা প্যারাসিটামল দিচ্ছি। এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কোনো দরকার নেই। প্রচুর পানি খেতে হবে। সাথে ডাবের পানি খেতে পারেন। লেবুর শরবত খেতে হবে। সাথে ওর স্যালাইন খেতে পারে। এবং বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর যদি তিন দিনের বেশি হয় তাহলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।